Hi

১২:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপে যবিপ্রবির ৫৬ শিক্ষার্থী

২০২৫-২৬ অর্থবছরে ‘জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ’ (এনএসটি) তালিকায় যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ৫৬ জন শিক্ষার্থী। জানুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত উপসচিব ফেরদৌস আহাম্মদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তি থেকে এই তথ্য জানা যায়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ফেলোশিপ্রাপ্ত প্রত্যেক শিক্ষার্থী ৫৪ হাজার টাকা করে আর্থিক অনুদান পাবেন। এ মন্ত্রণালয়ের গবেষণা প্রকল্পের আওতায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে যবিপ্রবির দশটি বিভাগের ৫৬ জন শিক্ষার্থী মোট ৩০ লাখ ২৪ হাজার টাকা ফেলোশিপ পাচ্ছেন।
ফেলোশিপপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে রয়েছেন- ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন বায়োসায়েন্স বিভাগের সাথী নন্দি, মারিয়া তাবাসসুম, মো. মমিনুল ইসলাম, নাহিদ সুলতানা পপি, ইমতিয়াজুল আমিন, উসাইরা আমিন, মো. তানভীর আহমেদ, মাধবী আক্তার, এস. এম. সাব্বির হোসেন, কমলিনী মণ্ডল, ফারহানা আফরিন নেহা ও রহিমা আফরোজ রুম্পা।
অণুজীববিজ্ঞানের সুমাইয়া খাতুন, মোছা. সুমাইয়া সুলতানা এনি, মো. ফাহমিদুর রহমান, পারভেজ হোসেন, রায়হান মিয়া, ফারিহা বিশ্বাস, তামান্না আক্তার, শিশির কুমার পি.কে., ফারহানা ইসলাম চুমকি ও মৌমিতা রহমান সাজ্জা।
জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজির মো. হৃদয় হোসেন, তনিমা মাহমুদ ইমা, নুসরাত জাহান, মোছা. সুমাইয়া খাতুন, সুবর্ণা কর্মকার, পল্লব শিং, মাহবুবা ফেরদৌস দোলা ও আনিকা তাসনিম। ফার্মেসির জ্যোতির্ময়ী রয়, কল্পা সরকার, জিনিয়া আক্তার তমা, রাবেয়া খাতুন সুস্মিতা, ফারজানা ইয়াসমিন, মো. সাদমান হোসেন ও মোছা. সুরাইয়া আক্তার।
পরিবেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সাদিয়া সুলতানা মিতু, রাজিয়া সুলতানা, সরজিত সরকার, গৌরব হালদার, ফারজানা মৌসুমী অনন্যা ও মো. সাজ্জাদ হোসেন রাজু। পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তির নিশাত তাবাসসুম প্রকৃতি, সোহানা ফাতেমী আরিন, সাদিয়া আফরিন, আফসানা তন্নী ও ইসরাত জাহান। ফুড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের চামেলি ইয়াসমিন উর্মি, তানজিম আহমেদ ও ফারিহা ইসলাম।
গণিতের মাহমুদা পারভীন ও তানজুম আরা মাহিন।কেমিকৌশলের মোছা. শাহিনা খাতুন ও ফিজিওথেরাপি অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশনের আবিদ হাসান খান।
প্রসঙ্গত, গবেষণা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও উৎসাহিত করতে ১৯৭৭-৭৮ অর্থবছর থেকে ভৌত বিজ্ঞান, জীব ও চিকিৎসাবিজ্ঞান এবং খাদ্য ও কৃষি বিজ্ঞান, এই তিন ক্যাটাগরিতে শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ প্রদান করে আসছে সরকার।
নির্ধারিত কমিটির মাধ্যমে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত, গবেষণারত এমএস, এমফিল, পিএইচডি ও পোস্ট-ডক্টরাল পর্যায়ের শিক্ষার্থী ও গবেষকদের আবেদন যাচাই-বাছাই ও সাক্ষাৎকারে এই ফেলোশিপ প্রদান করা হয়।

ট্যাগ :

মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ই-মেইল ও অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

যাচাইকারীর তথ্য

imran 2006

লেবুর রাজ্যখ্যাত ঝালকাঠিতে লেবুর আকাল, রমজানে দ্বিগুণ দাম

*কষ্টের আগুনে পোড়া মন: ভালোবাসার জলেও কেন সব ক্ষত মুছে যায় না?*

© All rights reserved ©Durneti Anusandhan News
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ Newseason IT

জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপে যবিপ্রবির ৫৬ শিক্ষার্থী

আপডেট সময় : ১১:৫৭:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

২০২৫-২৬ অর্থবছরে ‘জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ’ (এনএসটি) তালিকায় যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ৫৬ জন শিক্ষার্থী। জানুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত উপসচিব ফেরদৌস আহাম্মদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তি থেকে এই তথ্য জানা যায়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ফেলোশিপ্রাপ্ত প্রত্যেক শিক্ষার্থী ৫৪ হাজার টাকা করে আর্থিক অনুদান পাবেন। এ মন্ত্রণালয়ের গবেষণা প্রকল্পের আওতায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে যবিপ্রবির দশটি বিভাগের ৫৬ জন শিক্ষার্থী মোট ৩০ লাখ ২৪ হাজার টাকা ফেলোশিপ পাচ্ছেন।
ফেলোশিপপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে রয়েছেন- ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন বায়োসায়েন্স বিভাগের সাথী নন্দি, মারিয়া তাবাসসুম, মো. মমিনুল ইসলাম, নাহিদ সুলতানা পপি, ইমতিয়াজুল আমিন, উসাইরা আমিন, মো. তানভীর আহমেদ, মাধবী আক্তার, এস. এম. সাব্বির হোসেন, কমলিনী মণ্ডল, ফারহানা আফরিন নেহা ও রহিমা আফরোজ রুম্পা।
অণুজীববিজ্ঞানের সুমাইয়া খাতুন, মোছা. সুমাইয়া সুলতানা এনি, মো. ফাহমিদুর রহমান, পারভেজ হোসেন, রায়হান মিয়া, ফারিহা বিশ্বাস, তামান্না আক্তার, শিশির কুমার পি.কে., ফারহানা ইসলাম চুমকি ও মৌমিতা রহমান সাজ্জা।
জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজির মো. হৃদয় হোসেন, তনিমা মাহমুদ ইমা, নুসরাত জাহান, মোছা. সুমাইয়া খাতুন, সুবর্ণা কর্মকার, পল্লব শিং, মাহবুবা ফেরদৌস দোলা ও আনিকা তাসনিম। ফার্মেসির জ্যোতির্ময়ী রয়, কল্পা সরকার, জিনিয়া আক্তার তমা, রাবেয়া খাতুন সুস্মিতা, ফারজানা ইয়াসমিন, মো. সাদমান হোসেন ও মোছা. সুরাইয়া আক্তার।
পরিবেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সাদিয়া সুলতানা মিতু, রাজিয়া সুলতানা, সরজিত সরকার, গৌরব হালদার, ফারজানা মৌসুমী অনন্যা ও মো. সাজ্জাদ হোসেন রাজু। পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তির নিশাত তাবাসসুম প্রকৃতি, সোহানা ফাতেমী আরিন, সাদিয়া আফরিন, আফসানা তন্নী ও ইসরাত জাহান। ফুড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের চামেলি ইয়াসমিন উর্মি, তানজিম আহমেদ ও ফারিহা ইসলাম।
গণিতের মাহমুদা পারভীন ও তানজুম আরা মাহিন।কেমিকৌশলের মোছা. শাহিনা খাতুন ও ফিজিওথেরাপি অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশনের আবিদ হাসান খান।
প্রসঙ্গত, গবেষণা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও উৎসাহিত করতে ১৯৭৭-৭৮ অর্থবছর থেকে ভৌত বিজ্ঞান, জীব ও চিকিৎসাবিজ্ঞান এবং খাদ্য ও কৃষি বিজ্ঞান, এই তিন ক্যাটাগরিতে শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ প্রদান করে আসছে সরকার।
নির্ধারিত কমিটির মাধ্যমে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত, গবেষণারত এমএস, এমফিল, পিএইচডি ও পোস্ট-ডক্টরাল পর্যায়ের শিক্ষার্থী ও গবেষকদের আবেদন যাচাই-বাছাই ও সাক্ষাৎকারে এই ফেলোশিপ প্রদান করা হয়।