মো. নাঈম হাসান ঈমন
ঝালকাঠি প্রতিনিধি
ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় জামায়াত নেতাকে অবরুদ্ধ করে মারধরের সংবাদ তার মেয়েই ফোন জানান এনসিপি নেত্রী ডা. মাহমুদা আলম মিতুকে। সংবাদ পেয়ে জামায়াত নেতাকে উদ্ধার করতে গিয়ে নাজেহাল হয়েছেন ডা. মিতু। তার সাথে লোকজনও হামলার শিকার হয়েছেন। তবুও নাছোরবান্দা ডা. মিতু দৃঢ় ভূমিকা নিয়ে সেখান থেকে জামায়াত নেতাকে উদ্ধার করেন। বুধবার রাত ১১টারদিকে কাঁঠালিয়া উপজেলার এঘটনায় দায়ি করেছেন বিএনপি নেতৃবৃন্দকে। ক্ষোভে ফেসবুক স্ট্যাটাসে ডা. মিতু উল্লেখ করেন, কাঁঠালিয়ার ধরে ধরে জামায়াত নেতাদের অবরুদ্ধ করে ফোন চেক হচ্ছে মারা হচ্ছে ,পকেট চেক করা হচ্ছে। খুচরা টাকা নিয়ে যাচ্ছে ছাত্রদল। এটা সকালের মিডিয়া ট্রায়ালের ফল। জামায়াতের নেতাদের উপরে রাগ লাগে মাঝে মধ্যে মনে হয় এদের জন্ম হইছে মাইর খাওয়ার জন্য। এত নরম হইলে আসলে রাজনীতি করে মাইর খেয়ে লাভ কি? আজকে যাকে বের কর আনছি তার মেয়ে যদি আমাকে ফোন না দিতো তাহলে হয়তো আজ রাতে অবরুদ্ধই থাকতো। তার মেয়েকে ও সে ফোন দেয়ার সুযোগ পায় নি। মেয়েটাকে পাশের বাড়ির আর এক মেয়ে ফোন করছে যে তারাতাড়ি আসো তোমার বাবাকে মারতেছে। উনার মেয়ে কাঁদতে কাদঁতে আমাকে ফোন দেয়, আব্বুকে মেরে ফেললো, আপু ,আপনি কই। আমি ফিল্ডে আসছি শুনি বলে জামায়াতের মায়েরে *** ওগো যেহানে পাবি আইজ ধইরা আটকাইয়া নলা ভাংবি। সকালেও এক ছেলেকে মারছে চর থাপ্পড় দিছে। তিনি আরো উল্লেখ করেন, ওরা আমাকে খেয়াল করে নি। তখন ও ওই লোক (জামায়াত নেতা) অবরুদ্ধ ছিলো। আমি বাইরে চিল্লাচিল্লি করায় তাকে ছেড়ে দেয়া হইছে পিছনের দরজা থেকে। কিন্তু মারধর করছে, টাকা নিয়েছে। টাকা নিয়ে মারছে আর বলছে বল তুই ভোটারদের টাকা দেও। আমি ভিডিও করবো। যাকে মারা হইছে উনার বয়স ৫৮ বছর, উনি জামায়াতের ৪ নং কাঁঠালিয়ার অর্থ সম্পাদক। জামায়াত নেতারা এইসব অত্যাচার মনে না রাখলে তাদের সাথে নেক্সট বোঝাপড়া আমার হবে। আমি আসার পর আমার গার্ডদের গায় হাত দিছে।
মো. নাঈম হাসান ঈমন ঝালকাঠি প্রতিনিধি: 







