
মোঃ নুরুল ইসলাম
সম্পাদক
দূনীতি অনুসন্ধান নিউজ
শাকসবজিতে কীটনাশক, চালে অতিমাত্রায় আর্সেনিক এবং ক্রোমিয়াম, মুরগি আর মাছে আর্সেনিক: খাদ্যের বিষে নীল হচ্ছে বাংলাদেশ-Delta Lens, ৫ জুন ২০২৬
সম্প্রতি ডেল্টা লেন্স প্রকাশিত “Food Poisoning the Nation: Bangladesh Turning Blue from Toxic Food” শীর্ষক প্রতিবেদনে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগজনক কিছু তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিভিন্ন খাদ্যপণ্যের নমুনা পরীক্ষায় দেখা গেছে—
🔹 প্রায় ৫০% সবজিতে কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ পাওয়া গেছে।
🔹 ৩৫% ফলে শনাক্ত হয়েছে ক্ষতিকর মাত্রার কীটনাশক।
🔹 চালে পাওয়া গেছে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি মাত্রায় আর্সেনিক ও ক্রোমিয়াম।
🔹 মাছ ও মুরগিতে শনাক্ত হয়েছে ক্ষতিকর অ্যান্টিবায়োটিকের উপস্থিতি।
🔹 হলুদের গুঁড়া ও লবণে পাওয়া গেছে সীসাসহ বিভিন্ন ভারী ধাতু।
🔹 বিভিন্ন খাদ্যপণ্যে শিল্পকারখানার রাসায়নিক, টেক্সটাইল রং, কার্বাইডসহ অন্যান্য ক্ষতিকর উপাদান ব্যবহারের তথ্যও উঠে এসেছে।
সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, পরীক্ষিত ১,৭৫৬টি খাদ্য নমুনার মধ্যে ৫৮৬টি নমুনাই ছিল ভেজাল বা দূষিত।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে এসব বিষাক্ত উপাদানযুক্ত খাদ্য গ্রহণ করলে লিভার ও কিডনির ক্ষতি, ক্যান্সার, অ্যালার্জি, এমনকি শিশুদের স্বাভাবিক শারীরিক ও মানসিক বিকাশেও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
খাদ্য শুধু আমাদের ক্ষুধা মেটানোর উপায় নয়—এটি সুস্বাস্থ্য, কর্মক্ষমতা এবং একটি সুস্থ প্রজন্ম গঠনের ভিত্তি। তাই নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা শুধু একটি প্রয়োজন নয়, এটি প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক অধিকার।
আসুন, বিশ্ব খাদ্য নিরাপত্তা দিবসে আমরা সবাই নিরাপদ খাদ্যের গুরুত্ব সম্পর্কে আরও সচেতন হই এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করি।
মোঃ নুরুল ইসলাম সম্পাদক দূনীতি অনুসন্ধান নিউজ 
















