Hi

০১:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আদিবাসী খামারিদের উন্নয়নে পোরশায় ১৬০ জনের মাঝে গবাদিপশুর খাদ্য বিতরণ

মোঃ শহিদুল ইসলাম
পোরশা(নওগাঁ)

নওগাঁর পোরশা উপজেলায় আদিবাসী জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, প্রাণিসম্পদ খাতের বিকাশ এবং খামারিদের উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৬০ জন আদিবাসী খামারির মাঝে গবাদিপশুর খাদ্য বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (০৯ জুন ২০২৬) উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পোরশা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডাঃ মোঃ আজিজ আলী। তিনি বলেন, আদিবাসী ও প্রান্তিক খামারিদের উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। গবাদিপশুর সুষম খাদ্য নিশ্চিত করা গেলে পশুর স্বাস্থ্য ভালো থাকবে, উৎপাদন বাড়বে এবং খামারিরা অর্থনৈতিকভাবে আরও লাভবান হবেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পোরশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ রাকিবুল ইসলাম। তিনি বলেন, সরকারের লক্ষ্য হলো সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে উন্নয়নের মূলধারায় নিয়ে আসা। প্রাণিসম্পদ খাত গ্রামীণ অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং এ খাতের উন্নয়নের মাধ্যমে অনেক পরিবার স্বাবলম্বী হতে পারে। তিনি খামারিদের আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে গবাদিপশু পালনের আহ্বান জানান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পোরশা উপজেলা কৃষক দলের প্রচার সম্পাদক ও নিতপুর ইউনিয়ন কৃষক দলের দপ্তর সম্পাদক মোঃ সাহাবুল ইসলাম। তিনি বলেন, কৃষি ও প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়ন ছাড়া গ্রামীণ অর্থনীতির টেকসই অগ্রগতি সম্ভব নয়। সরকারের এ ধরনের উদ্যোগ খামারিদের জন্য অত্যন্ত সহায়ক।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন পোরশা উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক গোপাল চন্দ্র দাস, আক্তারুজ্জামান, মোঃ শরিফুল ইসলামসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
অনুষ্ঠান শেষে ১৬০ জন আদিবাসী খামারির হাতে গবাদিপশুর খাদ্য তুলে দেওয়া হয়। খাদ্য সহায়তা পেয়ে উপকারভোগীরা আনন্দ ও সন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা জানান, গবাদিপশুর খাদ্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় খামার পরিচালনায় নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। এ ধরনের সহায়তা তাদের জন্য অত্যন্ত উপকারী এবং খামার পরিচালনায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
প্রাণিসম্পদ দপ্তর সূত্রে জানা যায়, আদিবাসী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন, পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং প্রাণিসম্পদ খাতকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

ট্যাগ :

মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ই-মেইল ও অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

যাচাইকারীর তথ্য

imran 2006

জনপ্রিয় সংবাদ

লেবুর রাজ্যখ্যাত ঝালকাঠিতে লেবুর আকাল, রমজানে দ্বিগুণ দাম

আদিবাসী খামারিদের উন্নয়নে পোরশায় ১৬০ জনের মাঝে গবাদিপশুর খাদ্য বিতরণ

© All rights reserved ©Durneti Anusandhan News
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ Newseason IT

আদিবাসী খামারিদের উন্নয়নে পোরশায় ১৬০ জনের মাঝে গবাদিপশুর খাদ্য বিতরণ

আপডেট সময় : ১১:৪৫:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

মোঃ শহিদুল ইসলাম
পোরশা(নওগাঁ)

নওগাঁর পোরশা উপজেলায় আদিবাসী জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, প্রাণিসম্পদ খাতের বিকাশ এবং খামারিদের উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৬০ জন আদিবাসী খামারির মাঝে গবাদিপশুর খাদ্য বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (০৯ জুন ২০২৬) উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পোরশা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডাঃ মোঃ আজিজ আলী। তিনি বলেন, আদিবাসী ও প্রান্তিক খামারিদের উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। গবাদিপশুর সুষম খাদ্য নিশ্চিত করা গেলে পশুর স্বাস্থ্য ভালো থাকবে, উৎপাদন বাড়বে এবং খামারিরা অর্থনৈতিকভাবে আরও লাভবান হবেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পোরশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ রাকিবুল ইসলাম। তিনি বলেন, সরকারের লক্ষ্য হলো সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে উন্নয়নের মূলধারায় নিয়ে আসা। প্রাণিসম্পদ খাত গ্রামীণ অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং এ খাতের উন্নয়নের মাধ্যমে অনেক পরিবার স্বাবলম্বী হতে পারে। তিনি খামারিদের আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে গবাদিপশু পালনের আহ্বান জানান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পোরশা উপজেলা কৃষক দলের প্রচার সম্পাদক ও নিতপুর ইউনিয়ন কৃষক দলের দপ্তর সম্পাদক মোঃ সাহাবুল ইসলাম। তিনি বলেন, কৃষি ও প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়ন ছাড়া গ্রামীণ অর্থনীতির টেকসই অগ্রগতি সম্ভব নয়। সরকারের এ ধরনের উদ্যোগ খামারিদের জন্য অত্যন্ত সহায়ক।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন পোরশা উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক গোপাল চন্দ্র দাস, আক্তারুজ্জামান, মোঃ শরিফুল ইসলামসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
অনুষ্ঠান শেষে ১৬০ জন আদিবাসী খামারির হাতে গবাদিপশুর খাদ্য তুলে দেওয়া হয়। খাদ্য সহায়তা পেয়ে উপকারভোগীরা আনন্দ ও সন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা জানান, গবাদিপশুর খাদ্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় খামার পরিচালনায় নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। এ ধরনের সহায়তা তাদের জন্য অত্যন্ত উপকারী এবং খামার পরিচালনায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
প্রাণিসম্পদ দপ্তর সূত্রে জানা যায়, আদিবাসী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন, পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং প্রাণিসম্পদ খাতকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।