Hi

০১:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে অস্ত্র ঠেকিয়ে লক্ষাধিক টাকা ও দুইটি মোবাইল ছিনতাইয়ের অভিযোগ।

কুমিল্লা প্রতিনিধি

 

ঘটনার মূলহোতা আবদুল কাইয়ুমকে আটক করেছে পুলিশ। কাইয়ুম উপজেলার ঘোলপাশা ইউনিয়নের ধনুসাড়া গ্রামের দ্বীন মোহাম্মদের ছেলে।

সোমবার (১৫ই জুন) বিকেলে তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন থানার উপ-পরিদর্শক তারেক আকাশ।

আটককৃত কাইয়ুম দীর্ঘদিন ধরে নিজ এলাকার ছেড়ে পার্শ্ববর্তী মুন্সিরহাট ইউনিয়নের ছাতিয়ানী এলাকায় ইন্টারনেট ব্যবসায়ী মাসুমের লাইনম্যান হিসেবে কর্মরত রয়েছে। এখানে কর্মরত থাকা অবস্থাতেই নানান অপরাধে জড়িয়ে পড়ে সে।

থানায় দায়েরকৃত মামলায় উল্লেখ করা হয়, নোয়াখালী জেলার চরজাব্বার থানা এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে মমিনুল হক পেশায় একজন ট্রাক্টর চালক।

গত এক বছর পূর্বে ধনুসাড়া গ্রামের আবদুল কাইয়ুম ফেসবুকে মোটরসাইকেল বিক্রয়ের বিজ্ঞপ্তি দিলে যোগাযোগ করে সেটি ক্রয় করে মমিনুল হক। সে সুবাদে কাইয়ুমের সাথে পরিচয় হয় মমিনুল হকের। সেই মোটরসাইকেলটি নষ্ট হওয়ায় অন্যত্র বিক্রি করে দেয় মমিনুল হক। পূর্ব পরিচিত হওয়ায় খবরটি জেনে আবদুল কাইয়ুম একটি নতুন মোটর সাইকেল বিক্রয় করবে বলে মমিনুল হককে প্রস্তাব দেয়।

প্রস্তাবে সম্মত হয়ে মমিনুল হক তার এক বন্ধুসহ গত ৯ জুন মঙ্গলবার সকালে এক লক্ষ দশ হাজার টাকা নিয়ে চৌদ্দগ্রামের দেরকোটা বাজারে আসে।

পরবর্তীতে মোটরসাইকেলটি দেখানোর জন্য বললে আবদুল কাইয়ুম সলাকান্দি গ্রামে তার এক বন্ধুর কাছে রয়েছে বলে জানায়। মমিনুল হক, আবদুল কাইয়ুম ও মমিনুল হকের বন্ধু লাকসামের দেলোয়ার হোসেন সিএনজি অটোরিকশা যোগে সলাকান্দি গ্রামে যায়। আবদুল কাইয়ুম মোটরসাইকেল কিনতে আসা মমিনুল হক ও দেলোয়ার হোসেনকে গাড়ি থেকে নামতে বলে চালককে পাঠিয়ে দেয়।

পরে আবদুল কাইয়ুম, তার সহযোগী ছাতিয়ানী গ্রামের ভুঁইয়া বাড়ির শাকিব, ধনুসাড়ার ছোটন, রাসেল, সবুজ ও গুজরার রনি একজোট হয়ে দেশীয় ধারালো অস্ত্র প্রদর্শন ভয়ভীতি দেখিয়ে মমিনুল হকের পকেটে থাকা এক লক্ষ দশ হাজার টাকা ও দুইটি মোবাইল সেট জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেয়। এক পর্যায়ে তারা ঘটনাটি কাউকে না জানানোর জন্য বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত পালিয়ে যায়।

গত রোববার রাতে চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশের একটি টিম ধনুসাড়ায় অভিযান চালিয়ে ছিনতাইচক্রের মূলহোতা আব্দুল কাইউমকে আটক করেছে।

চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার উপ-পরিদর্শক তারেক আকাশ সোমবার বিকেলে বলেন, ‘অভিযান চালিয়ে মমিনুল হক নামে একজনকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মামলা শেষে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে’।

ট্যাগ :

মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ই-মেইল ও অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

যাচাইকারীর তথ্য

imran 2006

জনপ্রিয় সংবাদ

লেবুর রাজ্যখ্যাত ঝালকাঠিতে লেবুর আকাল, রমজানে দ্বিগুণ দাম

দিনাজপুরের উন্নয়নের অগ্রদূত ‘চকলেট আপা’ বেগম খুরশীদ জাহান হকের ২০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

© All rights reserved ©Durneti Anusandhan News
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ Newseason IT

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে অস্ত্র ঠেকিয়ে লক্ষাধিক টাকা ও দুইটি মোবাইল ছিনতাইয়ের অভিযোগ।

আপডেট সময় : ১০:০৫:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

কুমিল্লা প্রতিনিধি

 

ঘটনার মূলহোতা আবদুল কাইয়ুমকে আটক করেছে পুলিশ। কাইয়ুম উপজেলার ঘোলপাশা ইউনিয়নের ধনুসাড়া গ্রামের দ্বীন মোহাম্মদের ছেলে।

সোমবার (১৫ই জুন) বিকেলে তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন থানার উপ-পরিদর্শক তারেক আকাশ।

আটককৃত কাইয়ুম দীর্ঘদিন ধরে নিজ এলাকার ছেড়ে পার্শ্ববর্তী মুন্সিরহাট ইউনিয়নের ছাতিয়ানী এলাকায় ইন্টারনেট ব্যবসায়ী মাসুমের লাইনম্যান হিসেবে কর্মরত রয়েছে। এখানে কর্মরত থাকা অবস্থাতেই নানান অপরাধে জড়িয়ে পড়ে সে।

থানায় দায়েরকৃত মামলায় উল্লেখ করা হয়, নোয়াখালী জেলার চরজাব্বার থানা এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে মমিনুল হক পেশায় একজন ট্রাক্টর চালক।

গত এক বছর পূর্বে ধনুসাড়া গ্রামের আবদুল কাইয়ুম ফেসবুকে মোটরসাইকেল বিক্রয়ের বিজ্ঞপ্তি দিলে যোগাযোগ করে সেটি ক্রয় করে মমিনুল হক। সে সুবাদে কাইয়ুমের সাথে পরিচয় হয় মমিনুল হকের। সেই মোটরসাইকেলটি নষ্ট হওয়ায় অন্যত্র বিক্রি করে দেয় মমিনুল হক। পূর্ব পরিচিত হওয়ায় খবরটি জেনে আবদুল কাইয়ুম একটি নতুন মোটর সাইকেল বিক্রয় করবে বলে মমিনুল হককে প্রস্তাব দেয়।

প্রস্তাবে সম্মত হয়ে মমিনুল হক তার এক বন্ধুসহ গত ৯ জুন মঙ্গলবার সকালে এক লক্ষ দশ হাজার টাকা নিয়ে চৌদ্দগ্রামের দেরকোটা বাজারে আসে।

পরবর্তীতে মোটরসাইকেলটি দেখানোর জন্য বললে আবদুল কাইয়ুম সলাকান্দি গ্রামে তার এক বন্ধুর কাছে রয়েছে বলে জানায়। মমিনুল হক, আবদুল কাইয়ুম ও মমিনুল হকের বন্ধু লাকসামের দেলোয়ার হোসেন সিএনজি অটোরিকশা যোগে সলাকান্দি গ্রামে যায়। আবদুল কাইয়ুম মোটরসাইকেল কিনতে আসা মমিনুল হক ও দেলোয়ার হোসেনকে গাড়ি থেকে নামতে বলে চালককে পাঠিয়ে দেয়।

পরে আবদুল কাইয়ুম, তার সহযোগী ছাতিয়ানী গ্রামের ভুঁইয়া বাড়ির শাকিব, ধনুসাড়ার ছোটন, রাসেল, সবুজ ও গুজরার রনি একজোট হয়ে দেশীয় ধারালো অস্ত্র প্রদর্শন ভয়ভীতি দেখিয়ে মমিনুল হকের পকেটে থাকা এক লক্ষ দশ হাজার টাকা ও দুইটি মোবাইল সেট জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেয়। এক পর্যায়ে তারা ঘটনাটি কাউকে না জানানোর জন্য বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত পালিয়ে যায়।

গত রোববার রাতে চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশের একটি টিম ধনুসাড়ায় অভিযান চালিয়ে ছিনতাইচক্রের মূলহোতা আব্দুল কাইউমকে আটক করেছে।

চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার উপ-পরিদর্শক তারেক আকাশ সোমবার বিকেলে বলেন, ‘অভিযান চালিয়ে মমিনুল হক নামে একজনকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মামলা শেষে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে’।