Hi

০৬:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুমিল্লায় এনএসআইয়ের তথ্যভিত্তিক অভিযান, নকল ওষুধ চক্রের সদস্য গ্রেপ্তার

কুমিল্লা প্রতিনিধি

কুমিল্লা মহানগরে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই)-এর তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত যৌথ অভিযানে বিপুল পরিমাণ নকল ও অননুমোদিত ওষুধ, ওষুধ তৈরির কেমিক্যাল, উৎপাদন মেশিন ও বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে। একই সঙ্গে নকল ওষুধ উৎপাদন ও সরবরাহ চক্রের সঙ্গে জড়িত এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।
গত ২৬ জুন সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত প্রায় ১১টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত এনএসআই কুমিল্লার তথ্য ও সরেজমিন উপস্থিতির ভিত্তিতে পুলিশের সহযোগিতায় কুমিল্লা মহানগরের পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড সংলগ্ন শ্রীবল্লভপুর এলাকায় একটি পিকআপ ভ্যানে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে পিকআপ ভ্যান থেকে শিশু ও প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য তৈরি অননুমোদিত নকল ক্যাপসুল, ট্যাবলেট ও সিরাপসহ মোট ১৮ হাজার ৬৬০ পিস ওষুধ, প্রায় ১০০ কেজি কেমিক্যাল পাউডার, ৭ লিটার তরল কেমিক্যাল, প্রায় ২০ হাজার প্যাকেট ওষুধের লেবেল, ১৫ কেজি ফয়েল পেপার এবং নকল ওষুধ তৈরির তিনটি মেশিন জব্দ করা হয়।
এ সময় নকল ওষুধ উৎপাদন ও সরবরাহের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে সদর দক্ষিণ উপজেলার শ্রীনিবাস এলাকার বাসিন্দা জুনায়েদ ইসলাম (৩০)কে আটক করা হয়। তিনি মো. আব্দুল কাদেরের ছেলে।
পরবর্তীতে জব্দকৃত মালামাল সদর দক্ষিণ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়। পরে সদর দক্ষিণ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর নির্দেশনা এবং জেলা ঔষধ প্রশাসনের সহকারী পরিচালক ফখরুল ইসলামের উপস্থিতিতে জব্দ তালিকা প্রস্তুত করা হয়। এ ঘটনায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এনএসআই সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লা বিসিক শিল্পনগরীর একটি গুদামে এসব অবৈধ সামগ্রী মজুদ রাখা হয়েছিল। পরবর্তীতে সেগুলো অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার তথ্য পাওয়ার পর নজরদারি বাড়ানো হয়। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে উপযুক্ত সময়ে অভিযান পরিচালনা করে পিকআপভর্তি নকল ওষুধ ও উৎপাদন সামগ্রী জব্দ করা হয়।
সংস্থাটি আরও জানায়, বিসিক শিল্পনগরীতে নকল ওষুধ কারখানার বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের ধারাবাহিকতায় এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

ট্যাগ :

মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ই-মেইল ও অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

যাচাইকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লেবুর রাজ্যখ্যাত ঝালকাঠিতে লেবুর আকাল, রমজানে দ্বিগুণ দাম

দিনাজপুরসহ রংপুর বিভাগের ৭ টি জেলার সাংবাদিকদের মাঝে বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের চেক বিতরণ

© All rights reserved ©Durneti Anusandhan News
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ Newseason IT

কুমিল্লায় এনএসআইয়ের তথ্যভিত্তিক অভিযান, নকল ওষুধ চক্রের সদস্য গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ১১:৩৭:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

কুমিল্লা প্রতিনিধি

কুমিল্লা মহানগরে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই)-এর তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত যৌথ অভিযানে বিপুল পরিমাণ নকল ও অননুমোদিত ওষুধ, ওষুধ তৈরির কেমিক্যাল, উৎপাদন মেশিন ও বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে। একই সঙ্গে নকল ওষুধ উৎপাদন ও সরবরাহ চক্রের সঙ্গে জড়িত এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।
গত ২৬ জুন সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত প্রায় ১১টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত এনএসআই কুমিল্লার তথ্য ও সরেজমিন উপস্থিতির ভিত্তিতে পুলিশের সহযোগিতায় কুমিল্লা মহানগরের পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড সংলগ্ন শ্রীবল্লভপুর এলাকায় একটি পিকআপ ভ্যানে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে পিকআপ ভ্যান থেকে শিশু ও প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য তৈরি অননুমোদিত নকল ক্যাপসুল, ট্যাবলেট ও সিরাপসহ মোট ১৮ হাজার ৬৬০ পিস ওষুধ, প্রায় ১০০ কেজি কেমিক্যাল পাউডার, ৭ লিটার তরল কেমিক্যাল, প্রায় ২০ হাজার প্যাকেট ওষুধের লেবেল, ১৫ কেজি ফয়েল পেপার এবং নকল ওষুধ তৈরির তিনটি মেশিন জব্দ করা হয়।
এ সময় নকল ওষুধ উৎপাদন ও সরবরাহের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে সদর দক্ষিণ উপজেলার শ্রীনিবাস এলাকার বাসিন্দা জুনায়েদ ইসলাম (৩০)কে আটক করা হয়। তিনি মো. আব্দুল কাদেরের ছেলে।
পরবর্তীতে জব্দকৃত মালামাল সদর দক্ষিণ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়। পরে সদর দক্ষিণ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর নির্দেশনা এবং জেলা ঔষধ প্রশাসনের সহকারী পরিচালক ফখরুল ইসলামের উপস্থিতিতে জব্দ তালিকা প্রস্তুত করা হয়। এ ঘটনায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এনএসআই সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লা বিসিক শিল্পনগরীর একটি গুদামে এসব অবৈধ সামগ্রী মজুদ রাখা হয়েছিল। পরবর্তীতে সেগুলো অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার তথ্য পাওয়ার পর নজরদারি বাড়ানো হয়। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে উপযুক্ত সময়ে অভিযান পরিচালনা করে পিকআপভর্তি নকল ওষুধ ও উৎপাদন সামগ্রী জব্দ করা হয়।
সংস্থাটি আরও জানায়, বিসিক শিল্পনগরীতে নকল ওষুধ কারখানার বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের ধারাবাহিকতায় এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।