Hi

০৭:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মহেশখালী উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়নের সাদেকার কাটা এলাকার পঙ্গু সুফিয়ার আর্তনাথ

মহেশখালী নিউজ :

মহেশখালী উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়ন এর সাদেকার কাটা আমার জন্ম,আমার নাম সুফিয়া খাতুন, আমার পিতার নাম মৃত্যু আব্দু রশিদ, মাতার নাম আনোয়ারা বেগম,আমরা পাঁচ ভাই, পাঁচ বোন, দির্ঘ ১০ বছর পুর্বে আমার পিতার জায়গা জমি বরাদ্দ নিয়ে ভাই বোনের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়,কারণ পিতার সকল জায়গা জমি বোনদের কে না দিয়ে ভাইয়েরা বোগদখল করে আসিতেছে,সেই বিষয় নিয়ে আমি প্রতিবাদ করার কারণে এক পর্যায়ে আমার আপন ভাই নুরুল ইসলাম একদিন আমাকে হটাৎ করে অতর্কিত অবস্থায় হামলা করে, এবং তার হাতে থাকা দা দিয়ে আমাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মারাত্মক ভাবে রক্তাক্ত জখম করে,আমার শুর চিৎকার শুনে এলাকার পাড়া প্রতিবেশী আগাইয়া এসে আমাকে তার হামলা থেকে উদ্ধার করে,তখন আমার অবস্থা আশংকা জনক দেখে তাড়াতাড়ি মহেশখালী হাসপাতাল নিয়ে যায়।ওখানে কর্তব্য রত ডাক্তার আমার অবস্থা আশংকা জনক দেখে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করেন,ওখান থেকে আমাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন,ওখানে অনেক দিন চিকিৎসা করার পর কোন রকম সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে আসি তবে আমার ডান পা পুঙ্গ হয়ে যায়,ঠিক ভাবে চলাফেরা করতে পারি না,সেই আঘাতের কারণে আমাকে কেউ বিবাহ করে না।অবশেষে নিরুপায় হয়ে এলাকার বিভিন্ন জনের কাছে পায়ের চিকিৎসা করার জন্য সহযোগিতা চেয়ে থাকি,কম বেশি সবাই আমাকে সহযোগিতা করেছে,তখন আমার কাছে কিছু টাকা জমা হওয়ার কথা টা আমার নিমক হারাম পাষাণ ভাই নুরুল ইসলাম জানতে পারে,সেই তখন এলাকার কিছু কুচক্রি মহল পরধনলোভী জবরদখল কারি,আত্মসাৎ কারির সাথে গোপন বৈঠক করে আমার চিকিৎসার টাকা গুলোর উপর কু নজর দিয়ে ষড়যন্ত্র সৃষ্টি করে, তখন আমার কাছে বিভিন্ন লোক জন বিভিন্ন সমস্যা দেখিয়ে লাভের লোভ লালসা দেখিয়ে টাকা হাওলাত নিয়ে যায়।এবং কেউ দুই মাস, কেউ তিন মাস টাইম দিয়ে ডকুমেন্টস দিয়ে যায়।টাইম শেষ হওয়ার পর আমি টাকা গুলো ফেরত চাহিতে গেলে, আজ কাল সময় দিয়ে দীর্ঘায়িত করতে থাকে।অবশেষে আমি নিরুপায় হয়ে এলাকার মান্যগণ্য ব্যক্তি বর্গ কে বুঝিয়ে বিচার প্রার্থনা করতে গেলে বিবাদী রা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে ঘর বাড়ি ভেঙে দিয়ে এলাকা থেকে তাড়িয়ে দিবে মর্মে হুমকি দিয়ে থাকে। তারা সন্ত্রাসী পকৃতির লোক হয় বিধায় তাদের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খোলে কথা বলার সাহস পায়না।আমি একজন পুঙ্গ মহিলা অনাহারে জীবন যাপন করে আসিতেছি,এবং ঘরে অবিবাহিত একজন উপযুক্ত ছোট বোন রয়েছে, টাকা না তাকার কারণে ছোট বোন কে ও বিবাহ দিতে পারছি না।এবং আমার ঘর বাড়ি দেখার জন্য কোন দানশীল ব্যক্তি অন্য কোন লোকজন আসলে আমার নরপশু ভাই নুরুল ইসলাম তাদের কে অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ করে, মান ক্ষুন্ন করে তাড়িয়ে দেন।এবং থানায় অভিযোগ দায়ের করতে গেলে পঙ্গু মহিলার কথা কেউ কর্ণপাত করেনা।তাই অবশেষে নিরুপায় হয়ে একদিন একজন সত লোকের সাথে দেখা হয় তাহার পরামর্শ অনুযায়ী কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মহোদয় বরাবর এক খানা দরখাস্ত দায়ের করি,এবং একই দরখাস্ত মহেশখালী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর দায়ের করি।মহোদয় আমার দরখাস্ত খানা আমলে নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য মহেশখালী অবস্থান রত নৌবাহিনীর বরবর প্রেরণ করেন।বাকি সব উপর ওয়ালার হাতে। আমার থেকে যারা টাকা নিয়ে আত্মসাৎ করেছেন তারা হলেন,০১।শাপলাপুর ইউনিয়ন এর সাদেকার কাটা এলাকার মোঃ ইসমাইলের পুত্র মোঃ ইলিয়াছ (প্রকাশ লেড়াইয়া)কর্জ টাকার পরিমাণ (১৬০০০)ষোল হাজার। ০২।উক্ত ইউনিয়ন এর সাদেকার কাটা মুরুংঘোনা এলাকার মৃত্যু আবদুল মালেকের পুত্র মোঃ ওসমান,কর্জ টাকার পরিমাণ (১০,০০০)দশ হাজার টাকা,
০৩।একই এলাকার মৃত্যু লোহা বাইন্যার পুত্র আবদুল হাকিম (প্রকাশ ভেট্টা)কর্জ টাকার পরিমাণ (৪০০০)চার হাজার টাকা, ০৪।খুশিয়ার পাড়া ০৭ নং ওয়ার্ড এলাকার
মৃত্যু কালামিয়ার পুত্র, বাহাদুর মিয়া,কর্জ টাকার পরিমাণ, (৯০০০)নয় হাজার টাকা।তার মোবাইল নম্বর হল, ০১৮১৪-৮১২৮৮১।
০৫।ঐ এলাকার আবু জাফরের পুত্র, আবদুল করিম,কর্জ টাকার পরিমাণ, (৯০০০)নয় হাজার টাকা।
০৬।সাদেকার কাটা এলাকার হোছন আলীর পুত্র শফিউল আলম, কর্জ টাকার পরিমাণ (৫০০০)পাঁচ হাজার টাকা।
০৭।অত্র এলাকার মৃত্যু আমির হোছনের পুত্র মোঃ ইসমাইল, (প্রকাশ কালা বজা)কর্জ টাকার পরিমাণ (৫০০০)পাঁচ হাজার।
০৮।একই এলাকার মৃত্যু বদি আলম, (প্রকাশ বদর) পুত্র সৈয়দ আলম,(প্রকাশ ভোলা) কর্জ টাকার পরিমাণ (৫০০০)পাঁচ হাজার টাকা।
০৯।অত্র এলাকার মৃত্যু হাজ্বী মুছার পুত্র মোঃ সিদ্দিক, টাকার পরিমাণ (১৪০০০)চৌদ্দ হাজার টাকা।
১০।০৭ নং ওয়ার্ড খুশিয়ার পাড়া এলাকার
রফিক আলমের স্ত্রী মনোয়ারা বেগম, কর্জ টাকার পরিমাণ (২০,০০০)বিশ হাজার টাকা।
১১।০৭ নং ওয়ার্ড নোয়াপাড়া এলাকার পেঠন আলীর স্ত্রী রেনুয়ারা খাতুন,কর্জ টাকার পরিমাণ (২০,০০০)হাজার টাকা।
১২।সাদেকর কাটা এলাকার মোঃ শরিফ এর স্ত্রী মুমিনা বেগম,কর্জ টাকার পরিমাণ (৮০০০)আট হাজার টাকা।সকল প্রশাসন,ও সরকারি গোয়েন্দা সংস্থার সদস্য গণের এবং সাংবাদিক ভাইদের কাছে আমার পাওনা টাকা গুলো উদ্ধার করে দেওয়ার সহযোগিতা কামনা করি।নাহয় আমি বিনা চিকিৎসায় এবং অনাহারে মরে যাব।আল্লাহ তুমি সবাই কে সহযোগিতা করার তৌফিক দান করুন, আমিন।

ট্যাগ :

মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ই-মেইল ও অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

যাচাইকারীর তথ্য

imran 2006

জনপ্রিয় সংবাদ

লেবুর রাজ্যখ্যাত ঝালকাঠিতে লেবুর আকাল, রমজানে দ্বিগুণ দাম

দিনাজপুরসহ রংপুর বিভাগের ৭ টি জেলার সাংবাদিকদের মাঝে বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের চেক বিতরণ

© All rights reserved ©Durneti Anusandhan News
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ Newseason IT

মহেশখালী উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়নের সাদেকার কাটা এলাকার পঙ্গু সুফিয়ার আর্তনাথ

আপডেট সময় : ০৩:৫১:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৫

মহেশখালী নিউজ :

মহেশখালী উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়ন এর সাদেকার কাটা আমার জন্ম,আমার নাম সুফিয়া খাতুন, আমার পিতার নাম মৃত্যু আব্দু রশিদ, মাতার নাম আনোয়ারা বেগম,আমরা পাঁচ ভাই, পাঁচ বোন, দির্ঘ ১০ বছর পুর্বে আমার পিতার জায়গা জমি বরাদ্দ নিয়ে ভাই বোনের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়,কারণ পিতার সকল জায়গা জমি বোনদের কে না দিয়ে ভাইয়েরা বোগদখল করে আসিতেছে,সেই বিষয় নিয়ে আমি প্রতিবাদ করার কারণে এক পর্যায়ে আমার আপন ভাই নুরুল ইসলাম একদিন আমাকে হটাৎ করে অতর্কিত অবস্থায় হামলা করে, এবং তার হাতে থাকা দা দিয়ে আমাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মারাত্মক ভাবে রক্তাক্ত জখম করে,আমার শুর চিৎকার শুনে এলাকার পাড়া প্রতিবেশী আগাইয়া এসে আমাকে তার হামলা থেকে উদ্ধার করে,তখন আমার অবস্থা আশংকা জনক দেখে তাড়াতাড়ি মহেশখালী হাসপাতাল নিয়ে যায়।ওখানে কর্তব্য রত ডাক্তার আমার অবস্থা আশংকা জনক দেখে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করেন,ওখান থেকে আমাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন,ওখানে অনেক দিন চিকিৎসা করার পর কোন রকম সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে আসি তবে আমার ডান পা পুঙ্গ হয়ে যায়,ঠিক ভাবে চলাফেরা করতে পারি না,সেই আঘাতের কারণে আমাকে কেউ বিবাহ করে না।অবশেষে নিরুপায় হয়ে এলাকার বিভিন্ন জনের কাছে পায়ের চিকিৎসা করার জন্য সহযোগিতা চেয়ে থাকি,কম বেশি সবাই আমাকে সহযোগিতা করেছে,তখন আমার কাছে কিছু টাকা জমা হওয়ার কথা টা আমার নিমক হারাম পাষাণ ভাই নুরুল ইসলাম জানতে পারে,সেই তখন এলাকার কিছু কুচক্রি মহল পরধনলোভী জবরদখল কারি,আত্মসাৎ কারির সাথে গোপন বৈঠক করে আমার চিকিৎসার টাকা গুলোর উপর কু নজর দিয়ে ষড়যন্ত্র সৃষ্টি করে, তখন আমার কাছে বিভিন্ন লোক জন বিভিন্ন সমস্যা দেখিয়ে লাভের লোভ লালসা দেখিয়ে টাকা হাওলাত নিয়ে যায়।এবং কেউ দুই মাস, কেউ তিন মাস টাইম দিয়ে ডকুমেন্টস দিয়ে যায়।টাইম শেষ হওয়ার পর আমি টাকা গুলো ফেরত চাহিতে গেলে, আজ কাল সময় দিয়ে দীর্ঘায়িত করতে থাকে।অবশেষে আমি নিরুপায় হয়ে এলাকার মান্যগণ্য ব্যক্তি বর্গ কে বুঝিয়ে বিচার প্রার্থনা করতে গেলে বিবাদী রা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে ঘর বাড়ি ভেঙে দিয়ে এলাকা থেকে তাড়িয়ে দিবে মর্মে হুমকি দিয়ে থাকে। তারা সন্ত্রাসী পকৃতির লোক হয় বিধায় তাদের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খোলে কথা বলার সাহস পায়না।আমি একজন পুঙ্গ মহিলা অনাহারে জীবন যাপন করে আসিতেছি,এবং ঘরে অবিবাহিত একজন উপযুক্ত ছোট বোন রয়েছে, টাকা না তাকার কারণে ছোট বোন কে ও বিবাহ দিতে পারছি না।এবং আমার ঘর বাড়ি দেখার জন্য কোন দানশীল ব্যক্তি অন্য কোন লোকজন আসলে আমার নরপশু ভাই নুরুল ইসলাম তাদের কে অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ করে, মান ক্ষুন্ন করে তাড়িয়ে দেন।এবং থানায় অভিযোগ দায়ের করতে গেলে পঙ্গু মহিলার কথা কেউ কর্ণপাত করেনা।তাই অবশেষে নিরুপায় হয়ে একদিন একজন সত লোকের সাথে দেখা হয় তাহার পরামর্শ অনুযায়ী কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মহোদয় বরাবর এক খানা দরখাস্ত দায়ের করি,এবং একই দরখাস্ত মহেশখালী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর দায়ের করি।মহোদয় আমার দরখাস্ত খানা আমলে নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য মহেশখালী অবস্থান রত নৌবাহিনীর বরবর প্রেরণ করেন।বাকি সব উপর ওয়ালার হাতে। আমার থেকে যারা টাকা নিয়ে আত্মসাৎ করেছেন তারা হলেন,০১।শাপলাপুর ইউনিয়ন এর সাদেকার কাটা এলাকার মোঃ ইসমাইলের পুত্র মোঃ ইলিয়াছ (প্রকাশ লেড়াইয়া)কর্জ টাকার পরিমাণ (১৬০০০)ষোল হাজার। ০২।উক্ত ইউনিয়ন এর সাদেকার কাটা মুরুংঘোনা এলাকার মৃত্যু আবদুল মালেকের পুত্র মোঃ ওসমান,কর্জ টাকার পরিমাণ (১০,০০০)দশ হাজার টাকা,
০৩।একই এলাকার মৃত্যু লোহা বাইন্যার পুত্র আবদুল হাকিম (প্রকাশ ভেট্টা)কর্জ টাকার পরিমাণ (৪০০০)চার হাজার টাকা, ০৪।খুশিয়ার পাড়া ০৭ নং ওয়ার্ড এলাকার
মৃত্যু কালামিয়ার পুত্র, বাহাদুর মিয়া,কর্জ টাকার পরিমাণ, (৯০০০)নয় হাজার টাকা।তার মোবাইল নম্বর হল, ০১৮১৪-৮১২৮৮১।
০৫।ঐ এলাকার আবু জাফরের পুত্র, আবদুল করিম,কর্জ টাকার পরিমাণ, (৯০০০)নয় হাজার টাকা।
০৬।সাদেকার কাটা এলাকার হোছন আলীর পুত্র শফিউল আলম, কর্জ টাকার পরিমাণ (৫০০০)পাঁচ হাজার টাকা।
০৭।অত্র এলাকার মৃত্যু আমির হোছনের পুত্র মোঃ ইসমাইল, (প্রকাশ কালা বজা)কর্জ টাকার পরিমাণ (৫০০০)পাঁচ হাজার।
০৮।একই এলাকার মৃত্যু বদি আলম, (প্রকাশ বদর) পুত্র সৈয়দ আলম,(প্রকাশ ভোলা) কর্জ টাকার পরিমাণ (৫০০০)পাঁচ হাজার টাকা।
০৯।অত্র এলাকার মৃত্যু হাজ্বী মুছার পুত্র মোঃ সিদ্দিক, টাকার পরিমাণ (১৪০০০)চৌদ্দ হাজার টাকা।
১০।০৭ নং ওয়ার্ড খুশিয়ার পাড়া এলাকার
রফিক আলমের স্ত্রী মনোয়ারা বেগম, কর্জ টাকার পরিমাণ (২০,০০০)বিশ হাজার টাকা।
১১।০৭ নং ওয়ার্ড নোয়াপাড়া এলাকার পেঠন আলীর স্ত্রী রেনুয়ারা খাতুন,কর্জ টাকার পরিমাণ (২০,০০০)হাজার টাকা।
১২।সাদেকর কাটা এলাকার মোঃ শরিফ এর স্ত্রী মুমিনা বেগম,কর্জ টাকার পরিমাণ (৮০০০)আট হাজার টাকা।সকল প্রশাসন,ও সরকারি গোয়েন্দা সংস্থার সদস্য গণের এবং সাংবাদিক ভাইদের কাছে আমার পাওনা টাকা গুলো উদ্ধার করে দেওয়ার সহযোগিতা কামনা করি।নাহয় আমি বিনা চিকিৎসায় এবং অনাহারে মরে যাব।আল্লাহ তুমি সবাই কে সহযোগিতা করার তৌফিক দান করুন, আমিন।