Hi

১১:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ধানসিঁড়ির তীরে কবি জীবনানন্দ দাশের ১২৭তম জন্মজয়ন্তী উদ্‌যাপন

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:২৭:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৬৮ জন দেখেছে

মো. নাঈম হাসান ঈমন, ঝালকাঠি প্রতিনিধি:“আবার আসিব ফিরে, ধানসিঁড়িটির তীরে, এই বাংলায়”— রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাশের অমর এই পঙ্‌ক্তি উচ্চারণের মধ্য দিয়ে ঝালকাঠিতে পালিত হয়েছে কবির ১২৭তম জন্মজয়ন্তী।মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) দিনব্যাপী এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয় রাজাপুর উপজেলার উত্তর পিংড়ি গ্রামে ধানসিঁড়ি নদীর তীরে অবস্থিত কবি জীবনানন্দ দাশ সংগ্রহশালা প্রাঙ্গণে। কবিতাচক্র ঝালকাঠি এবং জীবনানন্দ দাশ জন্ম-মৃত্যু উদ্‌যাপন পরিষদ, রাজাপুর ও ঝালকাঠির যৌথ উদ্যোগে কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইশতিয়াক হাসান, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খোকন মল্লিক এবং কবিতাচক্রের সাধারণ সম্পাদক মু. আল আমীন বাকলাই। সভাপতিত্ব করেন রাজাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার রিফাত আরা মৌরি এবং সঞ্চালনা করেন সাংবাদিক ক্লাবের সহ-সভাপতি আলমগীর শরীফ।আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বাংলা কবিতায় জীবনানন্দ দাশ এক অনন্য উচ্চতায় আসীন। তাঁর কবিতায় গ্রামবাংলার প্রকৃতি, ইতিহাস ও মানবমনের গভীর অনুভব অনবদ্যভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। ‘রূপসী বাংলা’ কাব্যগ্রন্থের মাধ্যমে তিনি বাংলার প্রকৃতিকে বিশ্বসাহিত্যে স্বতন্ত্র মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করেছেন। নতুন প্রজন্মকে তাঁর সাহিত্যচর্চায় সম্পৃক্ত করতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও মত দেন বক্তারা।দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে কবিতা আবৃত্তি, প্রবন্ধ পাঠ, জীবনানন্দের জীবন ও কর্মভিত্তিক আলোচনা এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় সাহিত্যিক, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সংস্কৃতিকর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে উৎসবমুখর হয়ে ওঠে ধানসিঁড়ি নদীর তীর।আয়োজকরা জানান, কবি জীবনানন্দ দাশের সাহিত্য-ভাবনা ও নান্দনিকতা ছড়িয়ে দিতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে। ধানসিঁড়ির তীরে কবির স্মৃতিবিজড়িত পরিবেশে জন্মজয়ন্তী উদ্‌যাপন অংশগ্রহণকারীদের মাঝে গভীর আবেগ ও অনুপ্রেরণার সঞ্চার করে।

ট্যাগ :

মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ই-মেইল ও অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

যাচাইকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লেবুর রাজ্যখ্যাত ঝালকাঠিতে লেবুর আকাল, রমজানে দ্বিগুণ দাম

উল্লাপাড়ায় শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

© All rights reserved ©Durneti Anusandhan News
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ Newseason IT

ধানসিঁড়ির তীরে কবি জীবনানন্দ দাশের ১২৭তম জন্মজয়ন্তী উদ্‌যাপন

আপডেট সময় : ০৭:২৭:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মো. নাঈম হাসান ঈমন, ঝালকাঠি প্রতিনিধি:“আবার আসিব ফিরে, ধানসিঁড়িটির তীরে, এই বাংলায়”— রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাশের অমর এই পঙ্‌ক্তি উচ্চারণের মধ্য দিয়ে ঝালকাঠিতে পালিত হয়েছে কবির ১২৭তম জন্মজয়ন্তী।মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) দিনব্যাপী এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয় রাজাপুর উপজেলার উত্তর পিংড়ি গ্রামে ধানসিঁড়ি নদীর তীরে অবস্থিত কবি জীবনানন্দ দাশ সংগ্রহশালা প্রাঙ্গণে। কবিতাচক্র ঝালকাঠি এবং জীবনানন্দ দাশ জন্ম-মৃত্যু উদ্‌যাপন পরিষদ, রাজাপুর ও ঝালকাঠির যৌথ উদ্যোগে কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইশতিয়াক হাসান, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খোকন মল্লিক এবং কবিতাচক্রের সাধারণ সম্পাদক মু. আল আমীন বাকলাই। সভাপতিত্ব করেন রাজাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার রিফাত আরা মৌরি এবং সঞ্চালনা করেন সাংবাদিক ক্লাবের সহ-সভাপতি আলমগীর শরীফ।আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বাংলা কবিতায় জীবনানন্দ দাশ এক অনন্য উচ্চতায় আসীন। তাঁর কবিতায় গ্রামবাংলার প্রকৃতি, ইতিহাস ও মানবমনের গভীর অনুভব অনবদ্যভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। ‘রূপসী বাংলা’ কাব্যগ্রন্থের মাধ্যমে তিনি বাংলার প্রকৃতিকে বিশ্বসাহিত্যে স্বতন্ত্র মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করেছেন। নতুন প্রজন্মকে তাঁর সাহিত্যচর্চায় সম্পৃক্ত করতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও মত দেন বক্তারা।দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে কবিতা আবৃত্তি, প্রবন্ধ পাঠ, জীবনানন্দের জীবন ও কর্মভিত্তিক আলোচনা এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় সাহিত্যিক, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সংস্কৃতিকর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে উৎসবমুখর হয়ে ওঠে ধানসিঁড়ি নদীর তীর।আয়োজকরা জানান, কবি জীবনানন্দ দাশের সাহিত্য-ভাবনা ও নান্দনিকতা ছড়িয়ে দিতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে। ধানসিঁড়ির তীরে কবির স্মৃতিবিজড়িত পরিবেশে জন্মজয়ন্তী উদ্‌যাপন অংশগ্রহণকারীদের মাঝে গভীর আবেগ ও অনুপ্রেরণার সঞ্চার করে।